আমি আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আর্দশ গড়া তোফায়েল আহমেদ এমপির একজন কর্মী হয়ে থাকতে চাই এম এন আলম-সময় প্রবাহ নিউজ

 

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ
ভোলা জেলা প্রতিনিধি

আমি আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আর্দশ গড়া তোফায়েল আহমেদ এমপির একজন কর্মী হয়ে থাকতে চাই বলে মন্তব‍্য করেছেন ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আমির হোসেনের দ্বিতীয় ছেলে, অবসরপ্রাপ্ত আর্মি মেডিকেল কোরের (এন সি ও) বর্তমানে, অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনী কল্যাণ সংস্থা (অসকস) সভাপতি ভোলা জেলা শাখার,ভোলা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি বাংলাদেশ আওয়ামী স্বাধীনতা প্রজন্মলীগ, সাংবাদিক এম এন আলম

রাজনীতির মাঠে আমাকে কেউ হাতে কলমে রাজনৈতিক শিক্ষা দেয়নি তবে আমি রাজনৈতিক পরিবারেরই সন্তান। আমার বাবার রাজনীতিক বিভিন্ন কার্যক্রম বঙ্গবন্ধু ও তোফায়েল আহমেদের প্রতি ভালোবাসা দেখে রাজনীতির প্রতি আমার অনুপ্রেরণা দিন দিন বৃদ্ধি পেত, তাই আমি ছাত্রজীবন থেকেই এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের প্রিয় বড় ভাই ভিপি তছির ভাই আমাদের হাবিবুর রহমান শাহীন ভাই, এদের সাথে মিছিলে এবং আন্দোলনে থাকতাম। তাহার পর আমার কলেজ লাইফে পৌর ছাত্রলীগের রাজনীতি তখনকার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আলী নেওয়াজ পলাশ ভাই এদের নেতৃত্বে করেছি।ভোলা কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলাম, সেই বিএনপির নামধারী ছাত্র দলের ক্যাডারদের হাতে দুই দুইবার শারীরিক লাঞ্চনার শিকার হয়েছিলাম ভোলা কলেজে।ভোলা পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলাম। তবে নিজের কর্মের খাতিরে যখন সামরিক বাহিনীতে চাকরিতে যাই, তখন আমার রাজনৈতিক মামলা ছিল, সেই মামলা তখনকার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিন কাকা, সাধারণ সম্পাদক সহ এডভোকেট লাবু কাকা সহ প্রিয় নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয়কে বলাতে,উনার নির্দেশক্রমে আমার মামলা মীমাংসা করে দিয়েছেন। আমি বিগত সামরিক বাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় ও ছুটিতে এসে আমার প্রিয় সংগঠনের কোন কার্যক্রম মিটিং থাকলে আমি অংশগ্রহণ করেছি। চাকরি পুরো শেষ না করে, সংগঠনের প্রেমে পড়ে মাঝপথে দরখাস্তের মাধ্যমে চাকুরী থেকে অবসর নিয়ে চলে আসলাম ২০১৪ সালে এপ্রিল মাসে। এসেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোশারেফ হোসেন ভাইয়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি স্বতঃস্ফূর্তভাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় নির্বাচনের পরে আমাদের ভোলায় দায়িত্ব থাকা এক শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই এর কাছে আমি একদিন এক বিষয় নিয়ে গেলাম,উনি আমাকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে এবং কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং নিরুৎসাহিত করেছেন। ওই ঘটনায় আমাকে ব্যথিত করেছিল। আমারতো ব্যক্তিগত কোন লোভ লালসা চাওয়া পাওয়া ছিল না। ছিল শুধু প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও প্রাণপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ। কিন্তু প্রতিদিনই দেখলাম রাজনীতির নামে, বিরোধীদলকে প্রতিষ্ঠা করা, এবং দলীয় নেতাকর্মীদেরকে তিরস্কার অবজ্ঞা করা। তখন সেই সমস্ত ঘটনা কার্যক্রম আমাকে খুবই বেদনা পিরা দিত, তাই অভিমান করে নিজেকে কিছুদিনের জন্য আড়াল করে রেখেছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম প্রান প্রিয় নেতার সুযোগ্য সন্তান তারুণ্যের অহংকার জনাব মঈনুল হোসেন বিপ্লব ভোলার রাজনৈতিক সামাজিক এবং কর্মীবান্ধব প্রিয় ব্যক্তি তে রূপান্তরিত হয়েছেন। আমি আস্তে আস্তে দূর থেকে লক্ষ করলাম, এবং তাহার ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ হলাম। আমি যতই ভাইকে দেখি ততই ভাইয়ের মধ্যে দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা পারদর্শিতায় আমাকে মুগ্ধ করে। আমি দোয়া করি ভাই আপনি এগিয়ে যান আপনার সাথে আমি তো আছি, আপনার সুখে দুখে আপনার পাশে আছি থাকব ইনশাআল্লাহ। আমার জীবনে রাজনীতি থেকে কিছু চাওয়া পাওয়ার নেই, আমি একজন সৈনিক দেশমাতৃকার শপথ নেওয়া। লোভ লালসা কোন কিছুই আমাকে জীবনে পশ্ব করতে পারেনি, ইনশাআল্লাহ আশা রাখি পরবর্তী জীবনেও পারবেনা। আমিত্যু ন্যায়-নীতি, সত্যের পথে অবিচল থেকে আপনার সাথে আছি ভাই ইনশাল্লাহ। ভাই আমার প্রত্যক্ষ এখন কোন অভিভাবক নেই, আপনি আমার অভিভাবক এবং রাজনৈতিক শিক্ষক । রাজনীতির এই আকাবাকা পথে হাটতে গিয়ে আপনাকে অনুকরন অনুসরণ করার সুযোগ পেয়েছি…তাই আমি মনে করি আপনিই আমার রাজনীতির শিক্ষক এবং বর্তমান অভিভাবক।
আজকে আমার আবার রাজনীতিতে এতটুকু আসার পিছনে আমার পরিবার ও বাবার পরিচয়, আপনার ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বগুণ অনেক অনেক ভূমিকা রেখেছে…
এই কৃতজ্ঞতা আমি অবনত চিত্তে বুকে ধারন করি…শ্রদ্ধা এবং সম্মানে আপনি আমার কাছে অনেকের থেকে অনেক উপরে। আমার আপনার মত নেতৃত্ব পাওয়া আমার রাজনৈতিক জীবনের বড় প্রাপ্তি!

ভাই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা

আপনার প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান,ভালবাসা আমৃত্যু
আপনার আগামীর পথচলা শুভ ও মসৃণ হোক।

 

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *