বোরহানউদ্দিন পৌরসভার অবকাঠামো গত উন্নয়ন সহ প্রতিটি উন্নয়নে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের অবদান

 

 

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার শিক্ষাগত,অবকাঠামো গত উন্নয়ন সহ প্রতিটি উন্নয়নের মেয়র রফিকুল ইসলামের অবদান বলে জানিয়েছে ভোলা বোরহানউদ্দিন পৌরসভার জনগন।
তারা আরো জানিয়েছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে যখন সারা দেশে লকডাউন চলে সাধারণ মানুষ কর্মহীন হয়ে পরে। তখন এই কর্মহীন সাধারণ মানুষের বাসায় নিজে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম।
বিস্তারিত :
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মহামারী করোনা ভাইরাসে যখন নিস্তব্ধ সারা পৃথিবী সেখানে নিজের জিবনের ঝুকি নিয়ে নিজ পরিবার এর কথা না ভেবে জনগণ এর সেবা নিশ্চিত করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম।
জনগন জানায় পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার মাধ‍্যমে আধুনিকতার শীর্ষে পৌছাতে শুরু করেছে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌরসভা।
তার এই আধুনিকতা,উন্নয়ন,সর্বস্থরের জনগণ এর সেবা,ও তাদের প্রতি ভালবাসা নজর কেড়েছে সবার। যা বোরহানউদ্দিন এর ইতিহাসে কখনো হয়নি বলে জানা যায়।জনগনের বিপদে-আপদে সবসময়ই পাশে রয়েছে পৌরমেয়র রফিকুল ইসলাম।বোরহানউদ্দিন পৌরসভার উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক ও লেখক এইচ এম মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশকে জানান:
আমার পৌরসভায় গরিব-দুখি অসহায় মানুষের পাশে থাকাই আমার কাজ।তিনি বলেন আমি পৌরসভায় অবকাঠামো গত উন্নয়ন সহ সবকিছুর প্রতিই সতর্ক দৃষ্টি নিবন্ধন করি। তম্মধ্যে শিক্ষা খাতের প্রতি নজর আমার একটু বেশিই থাকে। কারন, আজকের এই শিক্ষার্থীগণই আগামীর বাংলাদেশের হাল ধরবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণের লেখাপড়ার খোঁজখবর নেওয়াসহ সার্বিক সুষ্ঠু পরিবেশে যেন ছাত্র-ছাত্রীগণ লেখাপড়া করতে পারে সেদিকে যথেষ্ট দৃষ্টি দেই। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীগণের চিত্তবিনোদনের প্রয়োজন রয়েছে। আর সে লক্ষেই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন রকমের খেলাদুলাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে নিজ থেকেই উপস্থিত থাকি। নির্বিঘ্নে ও সুন্দর পরিবেশে এখন ছাত্র-ছাত্রীগণ লেখাপড়া করে যাচ্ছে। এখানেই আমার প্রশান্তি,আর জনগনের সেবার মাধ্যমেই আমাকে তারা ভালোবাসে।
তিনি আরো বলেন বোরহানউদ্দিন পৌরবাসীর কাছে আমার বোঝা এতটাই ভারি যে, তা শোধ করা আদৌ সম্ভব না। আপনারা পর পর দুইবার নির্বাচিত করার পাশাপাশি যে সম্মান দেখিয়েছেন, যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তা সত্যি বিরল।
আপনারা আমাকে মেয়র নির্বাচিত করার কল্যাণে পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে ঐ সকল দেশের নগর উন্নয়ন দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। এটা সত্য তাঁদের স্থানে যেতে আমাদের আরো সময় লাগবে। তবে ঐ অভিজ্ঞতার আলোকে পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো ড্রেনেজ ব্যবস্থা সহ প্রশস্থকরণের পদক্ষেপ নেই। উত্তর বাসস্ট্যান্ড থেকে পৌর বাজার হয়ে দক্ষিণ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়ক, থানার সামনে থেকে উপজেলা হয়ে লঞ্চঘাট পর্যন্ত সড়ক। এছাড়া পল্টুন সহ আধুনিক লঞ্চঘাট বাংলাদেশের পৌরসভা নির্মিত একমাত্র একমাত্র লঞ্চঘাট। এ কাজগুলো করতে গিয়ে পৌরসভার ঘরমালিক,ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোক যে পরিমান সহযোগীতা করেছেন তা সব সময় আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। সড়কের জন্য যতটুকু যায়গা চেয়েছি প্রতিজন ঘরমালিক তা সহযোগীতার মনোভাব নিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। অনেকে বহুতল ভবনের স্ট্রাকচার ভেঙ্গেও দিয়েছেন। এতে সামগ্রিকভাবে পৌরবাসী সুবিধা পাচ্ছেন।
পার্থক্যটা মাত্র কয়েক বছর আগের রাস্তার কথা স্মরণ করে অনুধাবন করলে বুঝার কথা। বৃষ্টিতে এক হাটু পানি, খনাখন্দে ময়লা পানি। মানুষ বাজার দিয়ে হাটতে পারতোনা। রিক্সা যেতে চাইতোনা।
এ পরিবর্তনটা করা সম্ভব হয়েছে ঘরমালিকদের একান্ত সহযোগীতায়। তাঁদের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা। যেদিন আমি এ পৌরসভার মেয়র থাকবোনা, যতদিন বেঁচে থাকি তাঁদের জন্য আমার অবারিত শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অটুট থাকবে। পাশাপাশি পর্দার অন্তরাল থেকে আমাদের প্রিয় অভিভাবক সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি ও এ জনপদের মাননীয় সাংসদ জনাব আলী আজম মুকুলের সার্বিক সহযোগীতা কখনও ভুলবার নয়।
আমার দ্বিতীয় মেয়াদের মেয়রের সময়কাল আর বেশীদিন নেই। এ সময়ের মধ্যে পঞ্চায়েত বাড়ি দরজা থেকে বোরহানউদ্দিন পৌর শহরের পূর্ববাজার-পশ্চিমবাজার(ড্রেনেজসহ) হয়ে পশ্চিমে কীর্তনিয়া বাড়ি সংলগ্ন তুলাগাছ পর্যন্ত প্রশস্থ সড়কের কাজটুকু শেষ করতে চাই। আশা করি এ মাসের শেষ দিকে অথবা আগামি মাসের শুরুতে কাজ আরম্ভ হবে।
ইতিমধ্যেই বেশীরভাগ ঘরমালিক যায়গা ছেড়ে দিয়ে ঘর সংস্কার করে নিয়েছেন। যারা এখনও করেনি তাঁদের প্রতি বিলম্ভ না করে মার্কিং করে দেয়া যায়গা ছেড়ে ঘর/স্থাপনা সংস্কারের বিনীত অনুরোধ রইল।
একটি সুন্দর আগামির প্রত্যাশা। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবার সহায় হোন।

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *